বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
বিশেষ প্রতিবেদন

জেলা প্রশাসনের তদন্তে ২৫২ কোটি টাকার পাথর লুট, দুদকের চার্জশিটে ৯২ কোটি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরেফিন টিলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলমান পাথর লুট ও প্রাণহানির ঘটনায় জেলা প্রশাসনের তদন্তে ২৫২ কোটি টাকার সরকারি সম্পদের ক্ষতি নিরূপণ করা হলেও আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেয়া চার্জশিটে মাত্র ৯২ কোটি টাকার পাথর লুটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৭ সালে সিলেট জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু সাফায়াৎ মুহম্মদ শাহে দুল ইসলাম সরেজমিন পরিদর্শন ও অনুসন্ধানের ভিত্তিতে ১৭ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে উঠে আসে একযুগেরও বেশি সময় যাবত টিলাটি থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও বিক্রি করে এক ইজারাদারের ২৫১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার আর্থিক লুটপাটের চিত্র। এছাড়া পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যাপক ধ্বংস, রাস্তার অবকাঠামোগত ক্ষতি, ভূমি ধ্বস, কৃষিজমির ক্ষতি এবং সামাজিক অপরাধ প্রবণতা এবং মৃত্যুর পরিসংখ্যান উঠে আসে তার প্রতিবেদনে।

শাহ আরেফিন টিলা ও মতিয়া টিলা কেটে সৃষ্ট সাতান্নটি বিশাল গর্ত পরিদর্শন করে এই কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১০ বছরে পাথর লুণ্ঠনকারী চক্রটি কয়েক হাজার কোটি টাকার পাথর উত্তোলন করে সরকারের এবং পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। এক দশক যাবত ৩০০টিরও বেশি ট্রাক/ট্রাক্টর প্রতিদিন প্রায় ৯০০ ট্রিপের মাধ্যমে টিলা হতে উত্তোলিত পাথর বহন করেছে। এতে এলাকার রাস্তার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়েছে, যার ফলে বারবার অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।

২০০৯ সালে সিলেট জেলা প্রশাসনের তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শহীদুল আলমকে আহ্বায়ক করে শাহ আরেফিন টিলার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের লক্ষ্যে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে শুধুমাত্র আরেফিন টিলায় পরিমেয় ক্ষতির জন্য আর্থিক জরিমানা হিসাবে সর্বমোট ২৫২ কোটি ৭৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা ক্ষতি ধার্য করা হয়েছিল। যা রাষ্ট্রীয় পাওনা হিসাবে আদায়যোগ্য এবং অপরিমেয় ক্ষতির জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রস্তাব করা হয়।


অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাফায়াত মুহাম্মদ শাহে দুল ইসলাম তার প্রতিবেদনে মেসার্স বশির এন্ড কোম্পানির স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আলীর নিকট থেকে ২০০৯ সালে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শহীদুল আলমের নেতৃত্বাধীন কমিটির সুপারিশমতে ২৫২ কোটি ৭৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায়ে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেন।

প্রতিবেদনে তিনি জানান, মোহাম্মদ আলী শাহ আরেফিন টিলা থেকে কোনো নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫০ ঘনফুট সরকারি পাথর অবৈধভাবে উত্তোলন করে বিক্রি করেন। এ পাথরের বাজারমূল্য ২৫১ কোটি ৫৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। তিনি পুরোটাই আত্মসাৎ করেন।

এই তদন্ত রিপোর্টের সূত্র ধরে সরকারি পাথর আত্মসাতের দায়ে দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৬ ধারায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় সিলেট এর ২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর দায়ের করা মামলায় প্রভাবশালীদের বাদ দিয়ে শুধুমাত্র মেসার্স বশির এন্ড কোম্পানির স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আলীকে আসামী করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয় মোহাম্মদ আলী শাহ আরেফিন টিলার ৬১ একর জায়গা পাথর উত্তেলনের জন্য ইজারা নিলেও তিনি অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে ১৩৭.৫০ একর জুড়ে অবস্থিত সম্পূর্ণ টিলা থেকে ২৫১ কোটি ৫৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যের ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫০ ঘনফুট (প্রতি ঘনফুট পাথরের সরকারি মূল্য ৪০ টাকা হারে) সরকারি পাথর অবৈধ ভাবে উত্তোলন করে সরকারি সম্পদের ক্ষতি এবং আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সরকারি পাথর আত্মসাৎ করেছেন।

মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসনের তদন্তে যেখানে ২৫১ কোটি ৫৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যের ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫০ ঘনফুট পাথর অবৈধভাবে উত্তোলন এবং আত্মসাত করার প্রমাণ পায়। রহস্যজনক ভাবে দুদক সেই মামলার তদন্ত করে ৯২ কোটি ১২ লাখ ৯৪ হাজার টাকার পাথর উত্তোলন করে আত্মসাত দেখিয়ে গত ১০ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দাখিল করে।


এঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় ও পরিবেশবাদীরা। তারা পাথর লুটের ঘটনায় জড়িতদের এবং তদন্তে জড়িত কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসেব খতিয়ে দেখার দাবি জানান।

আশিকুর রহমান নামের একজন প্রশ্ন রাখেন, সবার দুর্নীতি দুদক ধরে, দুদকের দুর্নীতি কে ধরবে?

রায়হান হোসেন নামের একজন বলেন, দুদক পাথর লুটের সাথে জড়িত আছে।

নূর বাহার নামে একজন বলেন, বাকি পাথরগুলো প্রশাসনেরে সবাই মিলে খাইছে। এদের ব্যাংক সম্পদ তলব করে দেখেন। ঘুষের টাকা সব বেরিয়ে আসবে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) সিলেটের বিভাগীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শাহ সাহেদা আখতার বলেন, ২০১৭ সালে দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে কাজ করার সুযোগ এখনো আছে। প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহল যখন এই সিন্ডিকেটের হয়ে কথা বলে তখন অধীনস্ত কর্মকর্তাদের আর কিছু করার থাকে না। সরকারি সংস্থার মধ্যেও সমন্বয় থাকতে হবে। তদন্ত কমিটি যে ৪৭ জনের তালিকা করেছিল, তাদের বাইরেও অনেকে ছিলো। জনপ্রতিনিধিরাও তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন, প্রশাসনের কর্মকর্তারাও বাধা দেননি। তখন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তাই ২০২৫ সালেও তারা সক্রিয়। সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার সরাসরি লুটেরাদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভাষণ দিয়েছেন। শুধু ডিসি বা ইউএনও বদলি করলেই হবে না। তারা কাজ করতে চাইলেও পারবেন না যদি বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সাপোর্ট না পান। বিভাগীয় কমিশনার সর্বোচ্চ কর্মকর্তা। তিনি আদালত অবমাননা করে ব্যবসায়ীদের সাথে একই সুরে বক্তব্য দিচ্ছেন। তার অধীনস্ত কর্মকর্তারা তখন কতটুকু কাজ করতে পারবেন, সেটা এখন ভাববার বিষয়। দুইজন বদলালেই হবে না, পুরো সেটআপ পরিবর্তন না করলে সফল হওয়া যাবে না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো— সিলেটে ব্যবসার ক্ষেত্রে সর্বদলীয় ঐক্য। এখানে ব্যবসায়িক স্বার্থ সবার আগে।

ধরিত্রি রক্ষায় আন্দোলন (ধরা) এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কীম বলেন, লুটপাটের সাথে যারা জড়িত তাদের প্রকৃতপক্ষে চিহ্নিত করে সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তাছাড়া যে প্রতিবেদন এসেছে তা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ আছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর সাধারণ সম্পাদক কাসমীর রেজা বলেন, বিভিন্ন স্থানে পাথর লুটপাট হয়েছে পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে। সেসব নিয়ে তৎপরতা আমরা দেখছি না। সব জায়গাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে সরকার তৎপর হবে সেটাই আশা করছি।

সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য যত ধরনের চেষ্টা করা যায় আমরা তাই করছি।

এবিষয়ে বক্তব্য জানতে দুদক কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

তবে ৯২ কোটি ১২ লাখ ৯৪ হাজার টাকার পাথর উত্তোলন করে আত্মসাত দেখিয়ে গত ১০ আগস্ট আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে দুদকের হিসাব অনুযায়ী দেখা যায়, টিলার আয়তন ১৩৭.৫০ একর। টিলার ৭০% জয়গা কর্তন করা হয়েছে সুতরাং ১৩৭.৫০ একর এর ৭০% = ৯৬.২৫ একর। ইজারা গ্রহিতা মোহাম্মদ আলীকে ইজারা প্রদান করা হয়েছে ৬১.০০ একর। সুতরাং ৯৬.২৫ একর - ৬১.০০ একর = ৩৫.২৫ একর অর্থাৎ ৩৫.২৫ একর জায়গায়  অননুমোদিতভাবে পাথর উত্তোলন করা হয়েছে। টিলার উচ্চতা গড়ে ৩০ ফুট ধ্বংস করা হয়েছে সে হিসাবে ৪ কোটি ৬০ লাখ ৬৪ হাজার ৭০০ ঘনফুট। দুদকের তথ্যে টিলাটিতে পাথর ও বালি মাটি অর্ধেক পরিমাণ ছিল, সেই হিসাবে শুধু পাথরের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার ৩৫০ ঘনফুট। প্রতি ঘনফুট পাথরের তৎকালীন বাজার মূল্য ৪০ টাকা হিসেবে উত্তোলিত পাথরের বাজার মূল্য দাঁড়ায় ৯২ কোটি ১২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।


জেলা প্রশাসনের তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাফায়াৎ মুহম্মদ শাহে দুল ইসলাম শাহ আরেফিন টিলা এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় ১০ বছর ধরে সরকারি সম্পত্তির যে ক্ষতি হচ্ছে তা অপূরণীয় উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদনে ৪৭ পাথরখেকো লুটেরার নাম উল্লেখ করেন। সরকারী সম্পত্তি আত্মসাতের দায়ে প্রতিবেদনে উল্লেখিত ও চিহ্নিত পাথর লুণ্ঠনকারীদের যাবতীয় সম্পত্তি ক্রোক এবং ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও পরামর্শ দেন।

প্রতিবেদনে তিনি জানান, প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে পাথর উত্তোলন। শত শত শ্রমিক টিলা কেটে ছোট ছোট গর্তে কাজ করে। প্রতিটি গর্তে ১০–১২ জন শ্রমিক কাজ করছে। গর্তগুলোর মালিকানা একাধিক ব্যক্তির হাতে থাকে। পাথর উত্তোলনে পরিবেশ বিধ্বংসী বোমা মেশিন ব্যবহার করা হয়। টিলার চূড়া থেকে শাবল দিয়ে পাথর উত্তোলন হয়, আর পাদদেশে বসানো হয় বোমা মেশিন। টিলা সংলগ্ন কৃষি জমিতেই তুলনামূলকভাবে বেশি শ্রমিক কাজ করে।

পাথর লুটের সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের সম্পৃক্ততাও উঠে আসে তার তদন্ত প্রতিবেদনে।


তিনি পরিদর্শনকালেও পাথর লুটের প্রমাণ পান। এ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শাহ আরেফিন টিলা অনেকটাই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এছাড়া শাহ আরেফিন টিলার ১৩৭.৫০ একরের সীমানার বাইরে সংলগ্ন কৃষিজমি (চিকাডহর মৌজার ৫৫ জে.এল ভুক্ত ৬৩, ১২৫ নং দাগসহ আশপাশের দাগ) থেকেও গর্ত করে মেশিন, বেলচা, গাইতি-শাবল দিয়ে পাথর উত্তোলন চলছে। কৃষিজমিতেই অন্তত ১২–১৩টি স্থানে গর্ত করে পাথর তোলা হচ্ছে। প্রতিটি গর্তের গভীরতা কমপক্ষে ১৫–১৬ ফুট। এতে কৃষিজমি হ্রাস পাচ্ছে। পাশাপাশি এই বেআইনি ও অপরিকল্পিত কার্যক্রম মানুষের জীবনের জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় তিনি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের ভূমিকা ও দায়িত্ব পালনের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের গুরুত্ব বিচার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আশু ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তদন্ত প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনা অত্যন্ত জরুরি বলেও উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ৪৭ জন পাথরখেকোর নাম উল্লেখ করে তালিকাও দেন তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ
ইলিয়াস আলী গুম-হত্যার অভিযোগে উইং কমান্ডার সাইফুর রহমান হেফাজতে

ইলিয়াস আলী গুম-হত্যার অভিযোগে উইং কমান্ডার সাইফুর রহমান হেফাজতে

একরাম হত্যা: সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

একরাম হত্যা: সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

দীঘিনালায় সরকারি আদেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়

দীঘিনালায় সরকারি আদেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়

বিপিসির চেয়ারম্যান রেজানুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

বিপিসির চেয়ারম্যান রেজানুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: স্পিকারের সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ শিগগির

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: স্পিকারের সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ শিগগির

সেনাবাহিনীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় পদোন্নতিতে না প্রধানমন্ত্রীর

সেনাবাহিনীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় পদোন্নতিতে না প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

তৈরি পোশাকের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্প হতে পারে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত: প্রধানমন্ত্রী

তৈরি পোশাকের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্প হতে পারে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত: প্রধানমন্ত্রী

দলীয় ফোরামে ঠিক হবে নতুন রাষ্ট্রপতি: মির্জা ফখরুল

দলীয় ফোরামে ঠিক হবে নতুন রাষ্ট্রপতি: মির্জা ফখরুল

ভাঙা সড়কের গর্তে পড়ে লরির চাকায় মাথা পিষ্ট, নিহত মোটরসাইকেল চালক

ভাঙা সড়কের গর্তে পড়ে লরির চাকায় মাথা পিষ্ট, নিহত মোটরসাইকেল চালক